।। যে গাছ দ্বারা মানুষের শ্বাস প্রশ্বাস সে- ই আজ মৃত্যুর কারণ ।।
নিজস্ব সংবাদদাতা : রাজারহাটের অন্তর্গত কাশিনাথপুর মল্লিক বটতলার ২১১ রাস্তার উপরের একটি ঘটনা, ঘটনা বললে ভুল হবে। তবে ঘটনা ঘটতে কতক্ষন। তবে ঘটনা ঘটেনি বললেও ভুল হবে। অনেক মানুষ এর শিকার হতে হতে বেঁচেছেন বহুবার। তবে প্রতিবারই যে বেঁচে যাবেন তারও তো কোনো মানে নেই।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে একজনের উক্তি, " এ যেনো আমাদের মাথার উপর কালি ঠাকুরের খাঁড়া ঝুলছে, যখন তখন এসে পড়তে পারে আমাদের ঘাড়ের উপর "।
এটি একটি শিরিষ গাছ। এখনও তার একাংশে যেমন সজীবিতা বর্তমান অন্যঅংশে তেমনি নির্জীবিতা। সেই নির্জীবিতা আজ সকলের ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সেই শুকিয়ে যাওয়া ডালগুলি যেকোনো সময় যেকোনো কারুর উপর এসে পরতে পারে। তবে পরতে পারে বললেও ভুল হবে, অনেকবার-ই এর সম্মুখীন হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং অনিবাসিরাও।এবং এর সাথে রাস্তার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যে বিদ্যুৎ এর তারগুলি ঝুলছে সেগুলি আরেকটি বড়সড় ভয়ের কারণ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি যে, এটা পঞ্চায়েতের কাজ আর তাই পঞ্চায়েত এই কাজ গুলির দ্বায়িত্ব কেনো সঠিক ভাবে পালন করবে না! ।
আর সেই দাবি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা যতবারই পঞ্চায়েতের কাছে পৌঁছেছে ততবার-ই তাদের খালি হতে ফিরে আসতে হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাল্টা জবাবে পঞ্চায়েত বনবিভাগ বা অন্যবিভাগের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।
যদিও এটা বনবিভাগ বা অন্য যেকোনো বিভাগের দায়িত্ব থাক না কেনো, পঞ্চায়েত তো পারে তাদের সম্মতি নিয়ে এই কাজগুলি সম্পন্ন করতে। এগুলি তো তাদেরই কর্তব্যের মধ্যে পরে। তাই সাধারণ মানুষের দাবী যে, পঞ্চায়েত যেনো এই কাজগুলি সঠিক এবং দায়িত্বশীল ভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে সমাধান করে।



Comments
Post a Comment